Dhaka ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
শ্রীবরদীতে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত শেরপুরের ৩টি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ নকলায় বৃদ্ধের ঝুঁলন্ত লাশ উদ্ধার শেরপুরে চার অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের হানা: ৯ লাখ টাকা জরিমানা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে শেরপুরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার শেরপুরে ই-বেইল বন্ড সিস্টেম বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন: শেরপুর-১ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ ৩ প্রার্থীকে শোকজ শেরপুরে বাদল ও খালেক হত্যা মামলার প্রধান আসামির জামিন বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেরপুরে কন্যাশিশুকে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক

শেরপুরে ব্র্যাকের একসেলারেটেড এডুকেশন মডেল বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুর জেলা সদরের ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির একসেলারেটেড এডুকেশন মডেল বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির আয়োজনে ১৭ ডিসেম্বর বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: শাকিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক ফারহানা মিল্কী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় করেন ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচীর উপজেলা ব্যবস্থাপক মো: আলফাজ উদ্দীন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শহীদুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক মজনুন ইশতি।

সভায় ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির ইএমডিসি প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচীর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আমেনা আক্তার।

এসময় বাজিতখিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাসান খুরম, প্রধান শিক্ষক মো: আক্তারুজ্জামান, মো: গোলাম রব্বানী, শিল্পী রাণী সিংহ ও জয়নাল আবেদীন এবং পাড়া কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বক্তারা ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচী গৃহীত কার্যক্রম সমুহের অগ্রযাত্রার পথকে সুগম করার লক্ষে তাদের নানা মতামত প্রকাশ করেন।

ব্র্যাক সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর আকস্মিক প্রাদুর্ভাবের ফলে বাংলাদেশের সকল স্কুল ১৮ মাসের জন্যে বাধ্যতামুলক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো এবং এসময়ে শ্রেণী কক্ষে প্রচলিত সকল শিখন-শিখানো কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধে, ঝরে পড়ার ঝুকিতে থাকা শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মখিন হয় এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হারও বাড়তে থাকে।

যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচী এর প্রকল্প ইডুকেট দ্যা মোষ্ট ডিসএ্যাডভ্যানটেজ চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ (ই.এম.ডি.সি) এর মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত ঝরে পড়া শিক্ষর্থীদের জন্যে একসেলারেটেড মডেল শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

১০ মাসের এই মডেলের মধ্যে রয়েছে ৪ মাসের একটি ক্যচ আপ কম্পোনেন্ট (ব্রীজ কোর্স), ৬ মাসের নির্দিষ্ট শ্রেনী ভিত্তিক শিক্ষন প্রক্রিয়া, যাহা শিক্ষর্থীদের শিক্ষন ঘটতি পুরন করে পুনরায় আনুষ্ঠানিক স্কুলে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করছে। বর্তমানে উক্ত প্রকল্পটির চতুর্থ বছর চলছে এবং প্রায় ৪৮৭৫০ জন শিক্ষর্থী ১৯৫০ টি ব্র্যাক স্কুল থেকে এই মডেল শিক্ষা সম্পূর্ণ করেছে এবং আরো ৩০ হাজার শিক্ষর্থী ১ হাজার ২০০ টি ব্র্যাক স্কুলে অধ্যায়নরত আছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই প্রকল্পটির শেষে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫০০ জন শিক্ষর্থী ৫ হাজার ৯০০ টি এক কক্ষ বিশিষ্ট স্কুল থেকে ১০ মাসের একসেলারেটেড মডেলে শিক্ষা লাভ করবে। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির ইএমডিসি প্রকল্পের মাধ্যমে একসেলারেটেড এডুকেশন মডেলের মাধ্যমে ঝড়ে পড়া ও সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পূর্বের শিখন ঘাটতি পূরণ করে পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শ্রীবরদীতে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুরে ব্র্যাকের একসেলারেটেড এডুকেশন মডেল বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৫:২২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

শেরপুর জেলা সদরের ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির একসেলারেটেড এডুকেশন মডেল বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির আয়োজনে ১৭ ডিসেম্বর বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: শাকিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক ফারহানা মিল্কী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় করেন ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচীর উপজেলা ব্যবস্থাপক মো: আলফাজ উদ্দীন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শহীদুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক মজনুন ইশতি।

সভায় ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির ইএমডিসি প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচীর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আমেনা আক্তার।

এসময় বাজিতখিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাসান খুরম, প্রধান শিক্ষক মো: আক্তারুজ্জামান, মো: গোলাম রব্বানী, শিল্পী রাণী সিংহ ও জয়নাল আবেদীন এবং পাড়া কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বক্তারা ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচী গৃহীত কার্যক্রম সমুহের অগ্রযাত্রার পথকে সুগম করার লক্ষে তাদের নানা মতামত প্রকাশ করেন।

ব্র্যাক সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর আকস্মিক প্রাদুর্ভাবের ফলে বাংলাদেশের সকল স্কুল ১৮ মাসের জন্যে বাধ্যতামুলক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো এবং এসময়ে শ্রেণী কক্ষে প্রচলিত সকল শিখন-শিখানো কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধে, ঝরে পড়ার ঝুকিতে থাকা শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মখিন হয় এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হারও বাড়তে থাকে।

যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচী এর প্রকল্প ইডুকেট দ্যা মোষ্ট ডিসএ্যাডভ্যানটেজ চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ (ই.এম.ডি.সি) এর মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত ঝরে পড়া শিক্ষর্থীদের জন্যে একসেলারেটেড মডেল শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

১০ মাসের এই মডেলের মধ্যে রয়েছে ৪ মাসের একটি ক্যচ আপ কম্পোনেন্ট (ব্রীজ কোর্স), ৬ মাসের নির্দিষ্ট শ্রেনী ভিত্তিক শিক্ষন প্রক্রিয়া, যাহা শিক্ষর্থীদের শিক্ষন ঘটতি পুরন করে পুনরায় আনুষ্ঠানিক স্কুলে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করছে। বর্তমানে উক্ত প্রকল্পটির চতুর্থ বছর চলছে এবং প্রায় ৪৮৭৫০ জন শিক্ষর্থী ১৯৫০ টি ব্র্যাক স্কুল থেকে এই মডেল শিক্ষা সম্পূর্ণ করেছে এবং আরো ৩০ হাজার শিক্ষর্থী ১ হাজার ২০০ টি ব্র্যাক স্কুলে অধ্যায়নরত আছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই প্রকল্পটির শেষে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫০০ জন শিক্ষর্থী ৫ হাজার ৯০০ টি এক কক্ষ বিশিষ্ট স্কুল থেকে ১০ মাসের একসেলারেটেড মডেলে শিক্ষা লাভ করবে। ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির ইএমডিসি প্রকল্পের মাধ্যমে একসেলারেটেড এডুকেশন মডেলের মাধ্যমে ঝড়ে পড়া ও সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পূর্বের শিখন ঘাটতি পূরণ করে পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে কাজ করা হচ্ছে।