Dhaka ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুর জেলা কারাগারের হাজতি আসামির মৃত্যু

শেরপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক হাজতি আসামির মৃত্যু হয়েছে। ১০ অক্টোবর শুক্রবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মৃত ওই হাজতী আসামির নাম মো. বাচ্চু মিয়া (৪৫)। তিনি সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শাহ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাচ্চু মিয়া গত ৩ মাস আগে একটি মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেলা কারাগারে আসেন। পরে শুক্রবার সকালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এব্যাপারে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম জানান, নিহত বাচ্চু মিয়ার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শেরপুর জেলা কারাগারের হাজতি আসামির মৃত্যু

Update Time : ১০:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

শেরপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক হাজতি আসামির মৃত্যু হয়েছে। ১০ অক্টোবর শুক্রবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মৃত ওই হাজতী আসামির নাম মো. বাচ্চু মিয়া (৪৫)। তিনি সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শাহ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাচ্চু মিয়া গত ৩ মাস আগে একটি মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেলা কারাগারে আসেন। পরে শুক্রবার সকালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এব্যাপারে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম জানান, নিহত বাচ্চু মিয়ার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।