Dhaka ০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
নালিতাবাড়ীর রাজনগর রহমানিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা’র অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন এর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শেরপুরে ‘তারুণ্যের উৎসব’ উদযাপন উপলক্ষে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুর মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শেরপুরে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবক দিবস পালিত শেরপুরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইলিয়াছ উদ্দিন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ঘোষণা “নালিতাবাড়ীর রাজনগর রহমানিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা’র অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন এর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শ্রীবরদীতে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নবাগত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম শেরপুর জেলায় যোগদান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শেরপুরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেরপুরের সাবেক পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম সাময়িক বরখাস্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০৪০ Time View

শেরপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আশরাফুল আজীমকে অবশেষে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার নানা অনিয়ম, দমনপীড়ন ও স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেরিতে হলেও এমন একটি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি অভিনন্দন জানানো হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে দায়িত্বকালীন সময়ে কাজী আশরাফুল আজীম ক্ষমতাসীন দলের বিরোধী মতাদর্শের অসংখ্য নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল জুলুম চালিয়ে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার নির্দেশে বিনা বিচারে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। ফলে শেরপুরে এক ধরনের ভয়ভীতি ও পুলিশি দমননীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে শুধু রাজনৈতিক কর্মীই নয়, সাধারণ মানুষও ভুক্তভোগী হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, রিকশাচালক থেকে শুরু করে পথচারী-রাস্তা ফাঁকা না পেলে যেকাউকে হেনস্তার শিকার হতে হতো। এক কথায়, পুরো জেলা তার দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল এই বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় আনা। সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তে তাই সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শুধুমাত্র বরখাস্ত নয়, তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত চালিয়ে দোষ প্রমাণিত হলে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছে সচেতন নাগরিক সমাজ।আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের পদক্ষেপকে জনগণ যুগোপযোগী এবং সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আর কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি যেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম চালাতে না পারেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে একযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৮ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। সোমবার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসিমুল গনি। এর মধ্যে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক ডিসি চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত কাজী আশরাফুল আজীম এবং তিনি শেরপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নালিতাবাড়ীর রাজনগর রহমানিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসা’র অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন এর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

শেরপুরের সাবেক পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম সাময়িক বরখাস্ত

Update Time : ০৫:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

শেরপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আশরাফুল আজীমকে অবশেষে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার নানা অনিয়ম, দমনপীড়ন ও স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেরিতে হলেও এমন একটি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি অভিনন্দন জানানো হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে দায়িত্বকালীন সময়ে কাজী আশরাফুল আজীম ক্ষমতাসীন দলের বিরোধী মতাদর্শের অসংখ্য নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল জুলুম চালিয়ে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার নির্দেশে বিনা বিচারে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। ফলে শেরপুরে এক ধরনের ভয়ভীতি ও পুলিশি দমননীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে শুধু রাজনৈতিক কর্মীই নয়, সাধারণ মানুষও ভুক্তভোগী হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, রিকশাচালক থেকে শুরু করে পথচারী-রাস্তা ফাঁকা না পেলে যেকাউকে হেনস্তার শিকার হতে হতো। এক কথায়, পুরো জেলা তার দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল এই বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় আনা। সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তে তাই সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শুধুমাত্র বরখাস্ত নয়, তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত চালিয়ে দোষ প্রমাণিত হলে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছে সচেতন নাগরিক সমাজ।আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের পদক্ষেপকে জনগণ যুগোপযোগী এবং সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আর কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি যেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম চালাতে না পারেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে একযোগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৮ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। সোমবার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসিমুল গনি। এর মধ্যে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক ডিসি চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত কাজী আশরাফুল আজীম এবং তিনি শেরপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার ছিলেন।