Dhaka ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেঘালয়ে গণপিটুনিতে নিহত শেরপুরের আকরামের লাশ ফেরত দিয়েছে ভারত

ভারতের মেঘালয়ের দক্ষিণ পশ্চিম খাসি হিলসে গণপিটুুনিতে নিহত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার আকরাম আলীর (৩০) লাশ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ১৭ আগস্ট রোববার দুপুরে নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মধ্যমে নিহত আকরামের লাশ হস্তান্তর করা হয়।

ওইসময় ভারতীয় স্থানীয় পুলিশ এবং কলমাকান্দা থানার পুলিশ এবং নিহত আকরামের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নিহত আকরাম ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাঁকাকুড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে।

আকরামের বড় ভাই শেখ ফরিদ নিহত আকরামের লাশ গ্রহণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা লাশ নিয়ে নেত্রকোনা জেলা হাসপাতালে রয়েছি। এখানে ময়নাতদন্ত হবে। তারপর লাশ নিয়ে নেত্রকোনা থানায় যেতে হবে। সেখান থেকে ছাড়পত্র নওয়ার পর বাড়ির পথে লাশ নিয়ে রওনা হবো। আকরামের লাশ ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ, সেখানে বাড়িঘরে হামলা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি হিলস জেলায় কৈথাকোণা গ্রামে স্থানীয়রা গত ১০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকরামকে ধরে ফেলে এবং নির্মমভাবে মারধর করলে তার মৃত্যু ঘটে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেঘালয়ে গণপিটুনিতে নিহত শেরপুরের আকরামের লাশ ফেরত দিয়েছে ভারত

Update Time : ১১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

ভারতের মেঘালয়ের দক্ষিণ পশ্চিম খাসি হিলসে গণপিটুুনিতে নিহত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার আকরাম আলীর (৩০) লাশ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ১৭ আগস্ট রোববার দুপুরে নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মধ্যমে নিহত আকরামের লাশ হস্তান্তর করা হয়।

ওইসময় ভারতীয় স্থানীয় পুলিশ এবং কলমাকান্দা থানার পুলিশ এবং নিহত আকরামের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নিহত আকরাম ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাঁকাকুড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে।

আকরামের বড় ভাই শেখ ফরিদ নিহত আকরামের লাশ গ্রহণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা লাশ নিয়ে নেত্রকোনা জেলা হাসপাতালে রয়েছি। এখানে ময়নাতদন্ত হবে। তারপর লাশ নিয়ে নেত্রকোনা থানায় যেতে হবে। সেখান থেকে ছাড়পত্র নওয়ার পর বাড়ির পথে লাশ নিয়ে রওনা হবো। আকরামের লাশ ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ, সেখানে বাড়িঘরে হামলা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি হিলস জেলায় কৈথাকোণা গ্রামে স্থানীয়রা গত ১০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকরামকে ধরে ফেলে এবং নির্মমভাবে মারধর করলে তার মৃত্যু ঘটে।