Dhaka ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
শেরপুরে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ও ভিটেমাটি রক্ষার দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন শেরপুরে গরিব-অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শেরপুরে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শেরপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শেরপুরে মাসব্যাপী অ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নকলায় কৃষক নিহতের অভিযোগে আটক ৩ শেরপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সাথে সরকারি কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মতবিনিময় সভা শেরপুরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিনম্র শ্রদ্ধায় শেরপুরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত নকলায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

যারা সংস্কারের পক্ষের দল তাদের সঙ্গে এনসিপির জোট : শেরপুরে সারজিস আলম

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যারা সংস্কারের পক্ষে থাকবে এবং ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে থেকে কাজ করবে- তাদের সঙ্গে আমরা জোটবদ্ধ হব।” ১৩ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে শেরপুরে জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীদের নিয়ে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “এনসিপি শুধু আসনের রাজনীতির জন্য কারও সঙ্গে জোট করবে না। যদি কেউ পরিবর্তনের কমিটমেন্ট দিতে পারে এবং কাজে সেটি প্রমাণ করার মতো হয়- তাহলে এনসিপি সময়ের প্রয়োজনে, দেশের স্বার্থে ইলেক্টোরাল অ্যালায়েন্সের দিকে যেতে পারে। আবার যদি দেখি, এসব শুধু কথার ফুলঝুড়ি- সেক্ষেত্রে এনসিপি একক নির্বাচনের দিকে যাবে।” ইলেক্টারাল অ্যালায়েন্স হলেও এনসিপি অন্য কোনো প্রতীকে নয়, কেবল শাপলা প্রতীকেই নির্বাচন করবে বলে সাফ জানিয়ে দেন উত্তরাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক।

শাপলা প্রতীক না পেলে নির্বাচন করবেন কিনা- এমন প্রশ্নে সারজিস বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত নির্বাচন-সংবিধান বিশেষজ্ঞসহ যতজনের সঙ্গেই কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন- ‘শাপলা প্রতীক পেতে আইনগত কোনো বাধা নেই।’ যেহেতু আইনগত বাধা নেই, আমরা বিশ্বাস করি নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে এই স্বেচ্ছাচারী আচরণ একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে করবে না। আমরা অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব এবং শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”

পিআর পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, নিম্নকক্ষে পিআর চাই না- যেটি ঐক্যমত্য কমিশনে বারবার বলেছি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উচ্চকক্ষে পিআরের মাধ্যমে আমরা দেখি- এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য বা ফলপ্রসূ। এটা দিয়ে বাংলাদেশ উপকৃত হচ্ছে কিনা। পরবর্তীতে দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়াই ঠিক করবে রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষে পিআর চাইবে কিনা।”

সারজিস আলম বলেন, “উপদেষ্টাদের সেইফ এক্সিটের বিষয়টি গড়পরতা সব উপদেষ্টার জন্য না- কিছু কিছু। সেইফ এক্সিট বলতে এমন না তারা দেশ থেকে পালিয়ে যাবেন। বরং এটি বোঝানে হয়েছে- কোনোভাবে নির্বাচনটা তারা দিয়ে যেতে পারলেই যেন দায় শেষ। আমরা তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, নির্বাচন দিলেই দায় শেষ হবে না- দায়টা এত ছোট না। হাজারও মানুষের জীবনের দায় আছে, লক্ষ মানুষের রক্তের দায় আছে। আমরা তাদের কাছে অভ্যুত্থানের সরকারের মতো একটা ভূমিকা চাই।”

শেরপুর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক মো. লিখন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এনসিপি নেতৃবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও জুলাইযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শেরপুরে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ও ভিটেমাটি রক্ষার দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন

যারা সংস্কারের পক্ষের দল তাদের সঙ্গে এনসিপির জোট : শেরপুরে সারজিস আলম

Update Time : ১০:৪৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যারা সংস্কারের পক্ষে থাকবে এবং ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে থেকে কাজ করবে- তাদের সঙ্গে আমরা জোটবদ্ধ হব।” ১৩ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে শেরপুরে জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীদের নিয়ে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “এনসিপি শুধু আসনের রাজনীতির জন্য কারও সঙ্গে জোট করবে না। যদি কেউ পরিবর্তনের কমিটমেন্ট দিতে পারে এবং কাজে সেটি প্রমাণ করার মতো হয়- তাহলে এনসিপি সময়ের প্রয়োজনে, দেশের স্বার্থে ইলেক্টোরাল অ্যালায়েন্সের দিকে যেতে পারে। আবার যদি দেখি, এসব শুধু কথার ফুলঝুড়ি- সেক্ষেত্রে এনসিপি একক নির্বাচনের দিকে যাবে।” ইলেক্টারাল অ্যালায়েন্স হলেও এনসিপি অন্য কোনো প্রতীকে নয়, কেবল শাপলা প্রতীকেই নির্বাচন করবে বলে সাফ জানিয়ে দেন উত্তরাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক।

শাপলা প্রতীক না পেলে নির্বাচন করবেন কিনা- এমন প্রশ্নে সারজিস বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত নির্বাচন-সংবিধান বিশেষজ্ঞসহ যতজনের সঙ্গেই কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন- ‘শাপলা প্রতীক পেতে আইনগত কোনো বাধা নেই।’ যেহেতু আইনগত বাধা নেই, আমরা বিশ্বাস করি নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে এই স্বেচ্ছাচারী আচরণ একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে করবে না। আমরা অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব এবং শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”

পিআর পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, নিম্নকক্ষে পিআর চাই না- যেটি ঐক্যমত্য কমিশনে বারবার বলেছি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উচ্চকক্ষে পিআরের মাধ্যমে আমরা দেখি- এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য বা ফলপ্রসূ। এটা দিয়ে বাংলাদেশ উপকৃত হচ্ছে কিনা। পরবর্তীতে দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়াই ঠিক করবে রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষে পিআর চাইবে কিনা।”

সারজিস আলম বলেন, “উপদেষ্টাদের সেইফ এক্সিটের বিষয়টি গড়পরতা সব উপদেষ্টার জন্য না- কিছু কিছু। সেইফ এক্সিট বলতে এমন না তারা দেশ থেকে পালিয়ে যাবেন। বরং এটি বোঝানে হয়েছে- কোনোভাবে নির্বাচনটা তারা দিয়ে যেতে পারলেই যেন দায় শেষ। আমরা তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, নির্বাচন দিলেই দায় শেষ হবে না- দায়টা এত ছোট না। হাজারও মানুষের জীবনের দায় আছে, লক্ষ মানুষের রক্তের দায় আছে। আমরা তাদের কাছে অভ্যুত্থানের সরকারের মতো একটা ভূমিকা চাই।”

শেরপুর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক মো. লিখন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এনসিপি নেতৃবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও জুলাইযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।