Dhaka ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে সাপ ধরার সময় দংশনে ওঝার মৃত্যু

শেরপুরে সাপ ধরার সময় বিষাক্ত সাপের কামড়ে এক ওঝার মৃত্যু হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ওঝার নাম জামাল মিয়া (৭০)। তার বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার কামারের চর এলাকার ডোবার চর গ্রামে।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে ওঝা জামাল উদ্দিন পার্শ্ববর্তী এলাকা ৪নং চরে একটি বিষাক্ত সাপ ধরতে যান। ধরার সময় সাপটি তার হাতের আঙ্গুলে কামড় দেয়। কিন্তু ওঝা বিষয়টি আমলে নেয়নি। ঘণ্টা দুয়েক পরে ওঝার শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হলে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মৃতের স্বজনদের দাবি, হাসপাতালে এন্টিভেনম নেই বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে জানান। পরে একটি এন্টিভোম বাহির থেকে সংগ্রহ করে দেওয়ার পরেও তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে ওঝাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়কের নকলা এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিয়া জানান, হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ আছে। রোগীর সঙ্গে এন্টিভেনম নিয়ে কি হয়েছে, তা আরএমওকে (আবাসিক মেডিকেল অফিসার) জানানো হয়েছে। বিষয়টি দেখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শেরপুরে সাপ ধরার সময় দংশনে ওঝার মৃত্যু

Update Time : ১০:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শেরপুরে সাপ ধরার সময় বিষাক্ত সাপের কামড়ে এক ওঝার মৃত্যু হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ওঝার নাম জামাল মিয়া (৭০)। তার বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার কামারের চর এলাকার ডোবার চর গ্রামে।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে ওঝা জামাল উদ্দিন পার্শ্ববর্তী এলাকা ৪নং চরে একটি বিষাক্ত সাপ ধরতে যান। ধরার সময় সাপটি তার হাতের আঙ্গুলে কামড় দেয়। কিন্তু ওঝা বিষয়টি আমলে নেয়নি। ঘণ্টা দুয়েক পরে ওঝার শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হলে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মৃতের স্বজনদের দাবি, হাসপাতালে এন্টিভেনম নেই বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে জানান। পরে একটি এন্টিভোম বাহির থেকে সংগ্রহ করে দেওয়ার পরেও তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে ওঝাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়কের নকলা এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিয়া জানান, হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ আছে। রোগীর সঙ্গে এন্টিভেনম নিয়ে কি হয়েছে, তা আরএমওকে (আবাসিক মেডিকেল অফিসার) জানানো হয়েছে। বিষয়টি দেখা হবে।