ঘর জামাই’ বলায় সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী কিশোরী মাইমুনাকে প্রথমে থাপ্পড় ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রেখে গা ঢাকা দিয়েছিল আপন ফুফা ছাইদুল ইসলাম (৩৯)। হত্যাকাণ্ডের ৬ দিন পর এবং লাশ উদ্ধারের ৩দিন পর ঘটনার জট খোলে পুলিশ। হত্যার দায় স্বীকার করে শুক্রবার বিকেলে শেরপুরের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত ফুফা সাইদুল ইসলাম। এর আগে বুধবার রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে নালিতাবাড়ী থানার পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার ভালুকাকুড়া গ্রামের মফিজুল ইসলামের কিশোরী কন্যা মাইমুনা গত ২৩ আগস্ট শনিবার দুপুরে সহপাঠীদের সাথে পুতুল খেলার সময় ফুল আনতে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে রোববার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর মঙ্গলবার বিকেলে মাইমুনার চাচা বাড়ির পাশের একটি ডোবায় দুর্গন্ধ পেয়ে এর কারণ খোঁজতে গেলে কচুরিপানার ভেতর মাইমুনার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ রাতেই ওই লাশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, ফুল আনতে গেলে কথা প্রসঙ্গে ফুফা সাইদুল ইসলামকে ঠাট্টার ছলে কিশোরী মাইমুনা ‘ঘর জামাই’ বলে সম্বোধন করে। এতে সাইদুল রাগান্বিত হয়ে থাপ্পড় বসালে মাইমুনা অচেতন হয়ে পড়ে যায়। পরে উপায়ান্তর না পেয়ে গলায় থাকা ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পাশের ডোবায় কচুরিপানার ভেতরে লুকিয়ে রোববার ঢাকায় চলে যায়।
নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















