আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শেরপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি বুধবার শেরপুর সদর উপজেলার জি.কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই), আগারগাঁও, ঢাকা-এর আয়োজনে এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়, শেরপুর সদর-এর ব্যবস্থাপনায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তরফদার মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “নির্বাচন ও গণভোট গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার ওপরই নির্ভর করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আপনারা প্রতিটি আইন ও বিধিবিধান সঠিকভাবে আত্মস্থ করে তা প্রয়োগ করবেন, যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।”
প্রশিক্ষণ সেশনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী আইন, বিধিমালা, ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, ব্যালট পেপার ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার এবং ভোট গণনা শেষে ফলাফল বিবরণী প্রস্তুত করার বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়। এছাড়া গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সমন্বিত ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রযুক্তিগত ও কারিগরি দিকগুলোও হাতে-কলমে শেখানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও আত্মবিশ্বাস লাভ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে মাঠ পর্যায়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের এই ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
শেরপুর প্রতিনিধি: 









