Dhaka ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
শেরপুরে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শেরপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শেরপুরে মাসব্যাপী অ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নকলায় কৃষক নিহতের অভিযোগে আটক ৩ শেরপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সাথে সরকারি কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মতবিনিময় সভা শেরপুরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিনম্র শ্রদ্ধায় শেরপুরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত নকলায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীতে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় গোল আলু প্রদর্শনী স্থাপন

চার মাস পর সীমিত পরিসরে চালু হলো শেরপুর জেলা কারাগার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৪০৬ Time View

অচল হয়ে পড়ার দীর্ঘ ৪ মাস পর প্রাথমিক পর্যায়ে সচল করা হয়েছে শেরপুর জেলা কারাগার। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত থেকে যাওয়া ১৩ বন্দিকে নিয়ে সীমিত পরিসরে কারাগার সচল করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কারাগার কেন্দ্রিক নানা সমস্যা-সংকটের নিরসন হয়েছে।

নবাগত জেল সুপার মো. শফিকুল আলম কারাগার সচলের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাতে জানান, দুর্বৃত্তদের হামলায় অকার্যকর হয়ে পড়ার পর গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে কারাগারের সংস্কার কাজ চলছিল। প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দে ওই সংস্কার কাজের ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ দুটি প্রাক্কলনের কাজ এখনও বাকী রয়েছে। তবে শেরপুরের বন্দীদের জামালপুরে আনা-নেওয়াসহ নানা বাড়তি ঝামেলার বিষয়টি বিবেচনা করে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শেষ না হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে ও সীমিত পরিসরে কারাগারটি সচল করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখন থেকে নতুন বা পুরাতন মামলায় গ্রেফতার আসামিদের এ কারাগারেই আনা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট মামলার প্রতি ধার্য তারিখে জামালপুরে থাকা বন্দিদের শেরপুর কারাগারে আনা হবে। আর এর মধ্য দিয়েই পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হবে কারাগারের কার্যক্রম।

এদিকে সীমিত পরিসরে কারাগার সচল করার পূর্বাহ্নে সংস্কারকৃত কারাগার পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান মাহমুদ। ওইসময় অন্যান্য বিচারকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওইদিন বিকেলেই দুর্বৃত্তরা হামলা চালায় শেরপুর জেলা কারাগারে। ওইসময় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করলে কারাগার থেকে পালিয়ে যায় সাজাপ্রাপ্তসহ নানা গুরুতর অভিযোগের মামলার ৫১৮ বন্দি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শেরপুরে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

চার মাস পর সীমিত পরিসরে চালু হলো শেরপুর জেলা কারাগার

Update Time : ০৫:০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

অচল হয়ে পড়ার দীর্ঘ ৪ মাস পর প্রাথমিক পর্যায়ে সচল করা হয়েছে শেরপুর জেলা কারাগার। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত থেকে যাওয়া ১৩ বন্দিকে নিয়ে সীমিত পরিসরে কারাগার সচল করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কারাগার কেন্দ্রিক নানা সমস্যা-সংকটের নিরসন হয়েছে।

নবাগত জেল সুপার মো. শফিকুল আলম কারাগার সচলের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাতে জানান, দুর্বৃত্তদের হামলায় অকার্যকর হয়ে পড়ার পর গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে কারাগারের সংস্কার কাজ চলছিল। প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দে ওই সংস্কার কাজের ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ দুটি প্রাক্কলনের কাজ এখনও বাকী রয়েছে। তবে শেরপুরের বন্দীদের জামালপুরে আনা-নেওয়াসহ নানা বাড়তি ঝামেলার বিষয়টি বিবেচনা করে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শেষ না হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে ও সীমিত পরিসরে কারাগারটি সচল করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখন থেকে নতুন বা পুরাতন মামলায় গ্রেফতার আসামিদের এ কারাগারেই আনা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট মামলার প্রতি ধার্য তারিখে জামালপুরে থাকা বন্দিদের শেরপুর কারাগারে আনা হবে। আর এর মধ্য দিয়েই পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হবে কারাগারের কার্যক্রম।

এদিকে সীমিত পরিসরে কারাগার সচল করার পূর্বাহ্নে সংস্কারকৃত কারাগার পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান মাহমুদ। ওইসময় অন্যান্য বিচারকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওইদিন বিকেলেই দুর্বৃত্তরা হামলা চালায় শেরপুর জেলা কারাগারে। ওইসময় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করলে কারাগার থেকে পালিয়ে যায় সাজাপ্রাপ্তসহ নানা গুরুতর অভিযোগের মামলার ৫১৮ বন্দি।