Dhaka ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নকলায় ৫টি পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ, পাখি অবমুক্ত

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার বিভিন্ন বিলে অভিযান চালিয়ে ৫টি পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। একইসাথে ৫টি কানি বক ও ২ টি শালিক উদ্ধার করে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ওই জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা ওই অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়, বন্যপ্রাণী ও দেশীয় পাখিসহ সকল ধরনের বন্যপ্রাণী ধরা, মারা, দখলে রাখা ও ক্রয়-বিক্রয় করা দন্ডনীয় অপরাধ। গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার নকলার বিভিন্ন বিলে অভিযান চালিয়ে পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে এবং ৭টি পাখি প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। একইসাথে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযানকালে শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নকলায় ৫টি পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ, পাখি অবমুক্ত

Update Time : ০৪:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার বিভিন্ন বিলে অভিযান চালিয়ে ৫টি পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। একইসাথে ৫টি কানি বক ও ২ টি শালিক উদ্ধার করে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ওই জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা ওই অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়, বন্যপ্রাণী ও দেশীয় পাখিসহ সকল ধরনের বন্যপ্রাণী ধরা, মারা, দখলে রাখা ও ক্রয়-বিক্রয় করা দন্ডনীয় অপরাধ। গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার নকলার বিভিন্ন বিলে অভিযান চালিয়ে পাখি ধরার ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে এবং ৭টি পাখি প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। একইসাথে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযানকালে শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।